Couple on a beach
ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত ছবি

সত্যিই কি মাসিকের সময় সঙ্গমে গর্ভবতী হয়ে পড়ার কোনও আশঙ্কা থাকে না? আসুন জেনে নেওয়া যাক…

ঋতুকালে বা পিরিয়ডের সময় সঙ্গম নিয়ে অনেক রকম ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। কেউ মনে করেন ঋতুকালে সঙ্গম অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। অনেকের মতে, পিরিয়ডের সময় সঙ্গম করলে ঋতুকালীন যন্ত্রণা কিছুটা কমে যায়। আবার অনেকের ধারণা, পিরিয়ডের সময় সঙ্গমে এড়ানো যায় অবাঞ্ছিত গর্ভাবস্থা। সত্যিই কি মাসিকের সময় সঙ্গমে গর্ভবতী হয়ে পড়ার কোনও আশঙ্কা থাকে না?

অবাঞ্ছিত গর্ভাবস্থার ঝুঁকি এড়াতে অনেকেই মাসিকের সময় বা তার ৭ দিন পরে কন্ডোম বা তেমন কোনও সাবধানতা অবলম্বন না করেই সঙ্গমে লিপ্ত হন। তবে এই পদ্ধতিতেও অবাঞ্ছিত গর্ভাবস্থার ঝুঁকি কিন্তু থেকেই যায়। চিকিত্সকদের মতে, নিরাপদ সঙ্গমের সময় বা ‘সেফ পিরিয়ড’-এ যৌন মিলনেও গর্ভবতী হয়ে পড়ার আশঙ্কা কিন্তু থেকেই যায়। যদি কোনও মহিলার ঋতুস্রাব (মেন্সট্রুয়াল সাইকেল) ২৮ দিন বা ৩০ দিন বা তারও বেশি দিন পর পর হয়, সে ক্ষেত্রে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। তবে যদি কারও ঋতুস্রাব (মেন্সট্রুয়াল সাইকেল) ২০ থেকে ২৪ দিনের মধ্যে হয়, সে ক্ষেত্রে সাবধান হওয়া জরুরি। কারণ, ‘সেফ পিরিয়ড’-এ টাইমে মিলিত হলেও অবাঞ্ছিত গর্ভাবস্থার ঝুঁকি থেকেই যায়।

যদি কারও ঋতুস্রাব (মেন্সট্রুয়াল সাইকেল) ২০ থেকে ২৪ দিনের মধ্যে হয়, তার অর্থ হল তার ডিম্বস্ফোটন বা ওভ্যুলেশন নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু হচ্ছে। চিকিত্সা বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মহিলাদের শরীরে শুক্রানু বা স্পার্ম ২ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে। তাই মাসিকের শেষের দিকে বা মাসিকের ঠিক পরেই সঙ্গমে গর্ভবতী হয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here